জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) দশম ভিপি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রশিদ জিতু। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৩৪ ভোট। অন্যদিকে, ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেলের মো. মাজহারুল ইসলাম ৩ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নাম ঘোষণা করা হয়।
অন্যান্য নির্বাচিতরা
- সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস): ফেরদৌস আল হাসান (প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, ৪৯ ব্যাচ, মাস্টার্স)
- এজিএস (ছাত্রী): আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা (দর্শন বিভাগ, ৪৮ ব্যাচ, মাস্টার্স)
- শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক: আবু উবায়দা উসামা (ফার্মেসি বিভাগ)
- পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ সম্পাদক: সাফায়েত মীর (গণিত বিভাগ)
- সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি (ইংরেজি বিভাগ)
- সাংস্কৃতিক সম্পাদক: শেখ জিসান আহমেদ
- সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক: রায়হান উদ্দিন (উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ)
- নাট্য সম্পাদক: রুহুল ইসলাম (নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ)
- ক্রীড়া সম্পাদক: মাহমুদুল হাসান কিরণ (বাংলা বিভাগ, ৪৮ ব্যাচ)
- সহ-ক্রীড়া (ছাত্র): মাহাদী হাসান (মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ)
- সহ-ক্রীড়া (ছাত্রী): ফারহানা লুবনা (গণিত বিভাগ)
- আইটি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক: রাশেদুল ইমন লিখন (ফার্মেসি বিভাগ, ৪৮ ব্যাচ)
- সমাজসেবা ও মানবসেবা উন্নয়ন সম্পাদক: আহসান লাবিব
- সহ-সমাজসেবা (ছাত্র): তৌহিদ ইসলাম (মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ)
- সহ-সমাজসেবা (ছাত্রী): নিগার সুলতানা (ফার্মেসি বিভাগ)
- স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা সম্পাদক: হুসনী মোবারক (প্রাণিবিদ্যা বিভাগ)
- পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক: তানভীর রহমান (পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ)
কার্যকরী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন: ফাবলিহা জাহান, নাবিলা বিনতে হারুন, নুসরাত জাহান ইমা, হাফেজ তরিকুল ইসলাম, আবু তালহা ও মোহাম্মদ আলী চিশতী।
নির্বাচনী প্রেক্ষাপট
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট শেষে রাত সোয়া ১০টা থেকে গণনা শুরু হলেও তা এখনো চলমান। এবার ভোট পড়েছে প্রায় ৬৭–৬৮ শতাংশ।
মোট ভোটার ছিলেন ১১ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে ছাত্রদের ১১টি হলে এবং ছাত্রীদের ১০টি হলে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৭৭ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ভিপি পদে ছিলেন ৯ জন এবং জিএস পদে ৮ জন।
ছাত্রীদের ১৫০টি পদের মধ্যে ৫৯টিতে কোনো প্রার্থী ছিলেন না, আর ৬৭টিতে একজন করে প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সে হিসাবে মাত্র ২৪টি পদে ভোট নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হলের মধ্যে ২টি হলে সব পদেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।









