চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকের শুরুতেই চীনের পক্ষ থেকে পাওয়া অভ্যর্থনার প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এ ধরনের সম্মান খুব কম মানুষই পান। বিশেষ করে শিশুদের অংশগ্রহণ তাকে মুগ্ধ করেছে, যারা আনন্দিত ও সৌন্দর্যের প্রতিচ্ছবি ছিল। সামরিক আয়োজনের পাশাপাশি শিশুদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে অনন্য করেছে।
আলোচনার সময় ট্রাম্প শি জিনপিংকে ‘মহান নেতা’ বলে অভিহিত করেন। তিনি জানান, অনেকেই তার এই মন্তব্য পছন্দ না করলেও তিনি সত্যকে বলতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও বক্তব্য দেন ট্রাম্প। তার সঙ্গে বিশ্বের শীর্ষ ৩০ ব্যবসায়ী রয়েছেন বলে জানান তিনি। এসব ব্যবসায়ী চীনকে সম্মান জানাতে এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে ব্যবসা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ট্রাম্পের এ সফর ১৩ মে শুরু হয়ে ১৫ মে পর্যন্ত চলবে। এটি তার দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফর এবং ২০১৭ সালের পর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম চীন সফর। এপ্রিল মাসে সফরটি হওয়ার কথা থাকলেও ইরান পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে শি জিনপিং ও ট্রাম্পের বৈঠক হয়েছিল, যেখানে দুই দেশ সাময়িকভাবে শুল্কযুদ্ধ স্থগিত রাখতে সম্মত হয়।
এবারের আলোচনায় চীনের বিরল খনিজ রপ্তানির ওপর নিয়ন্ত্রণ শিথিল রাখার সময় বাড়ানো, বিমান, কৃষি ও জ্বালানি খাতে সম্ভাব্য চুক্তি এবং ইরানসহ আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা চলছে।









