কুষ্টিয়া–৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা–র বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আদালত এ নির্দেশ দেন। এর আগে ১৩ এপ্রিল কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসককে ঘিরে বিতর্কিত মন্তব্য করায় তাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। অভিযোগ ছিল, তিনি হরিপুর জামে মসজিদে জুমার নামাজের আগে বক্তব্য দিতে গিয়ে দাবি করেন যে জেলা প্রশাসক বদলি হয়ে আসতে “২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা” খরচ করেছেন। বক্তব্যটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
নোটিশে বলা হয়, সাত দিনের মধ্যে তিনি এই অর্থ কার কাছে ও কোন প্রতিষ্ঠানে প্রদান করা হয়েছে—তার সুনির্দিষ্ট নাম প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিষয়টি ব্যাখ্যা না করায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের পথ সুগম হয়।
এ ছাড়া অতীতে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু–কে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ আদালতে একাধিক মানহানির মামলা রয়েছে। গত ২ এপ্রিল এসব মামলার একটি আমলে নিয়ে আদালত তার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। মামলার বাদী জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির কর্নেল জানান, মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় তারা দণ্ডবিধির ২৯৬, ৫০০ ও ৫০৪ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন।
একই অভিযোগে সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতে বিএনপি নেতা নাজমুল ইসলাম ১০০ কোটি টাকার আরেকটি মানহানির মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে প্রদান করেছে আদালত।









