প্রথম ইনিংসে লিটন দাস এর সেঞ্চুরি আর বোলারদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে লিড নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সেই লিডকে আরও দৃঢ় করতে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমেই চমৎকার ব্যাটিং দেখান ব্যাটাররা। বিশেষ করে মুশফিকুর রহিম রেকর্ডময় সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ পেয়েছে দল।
দ্বিতীয় ইনিংসে সব উইকেট হারিয়ে ৩৯০ রান তোলে বাংলাদেশ। দু’ ইনিংস মিলিয়ে লিড দাঁড়ায় ৪৩৬ রানে। এতে ম্যাচে জিততে হলে পাকিস্তান ক্রিকেট দল কে গড়তে হবে বিশ্বরেকর্ড, কারণ টেস্টে সর্বোচ্চ ৪১৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের রেকর্ড বর্তমানে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল এর দখলে।
সোমবার ১৫৬ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলায় ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। ক্রিজে অপরাজিত ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, তার সঙ্গী হন মুশফিকুর রহিম। দিনের পঞ্চম ওভারে প্রথম ধাক্কা খায় দল; ৪৬ বলে ১৫ রান করা শান্ত এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন। এরপর নামেন লিটন দাস। ৪১তম ওভারের তৃতীয় বলে তার নেওয়া এক রানেই লিড পেরিয়ে যায় ২০০। মুশফিক ও লিটন মিলে ৮৮ রানের জুটি গড়ে প্রথম সেশন শেষ করেন, ততক্ষণে লিড দাঁড়ায় ২৪৯।
লাঞ্চের পরে লিটন দাস তুলে নেন ক্যারিয়ারের ২০তম হাফ সেঞ্চুরি। দ্বিতীয় সেশনে প্রথম বলেই পঞ্চাশ স্পর্শ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬৯ রানে আউট হন এই ব্যাটার। এরপর উইকেটে সেট হয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি মেহেদি হাসান মিরাজ; ৩৯ বলে করেন ১৯ রান।
ধৈর্য ধরে ব্যাট করে ১৭৮ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিকুর রহিম। টেস্ট ক্যারিয়ারের এটি তার ১৪তম সেঞ্চুরি, যা তাকে লাল বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে আরও এগিয়ে দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ২৩৩ বল খেলে তার সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৭ রান।
শেষদিকে মুশফিককে ভালো সঙ্গ দেন তাইজুল ইসলাম; ৫১ বলে করেন ২২ রান। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ১৩ বলে ৬ এবং শরিফুল ইসলাম ১৫ বলে ১২ রান যোগ করেন।









