আগামী ৬ জুন থেকে মাঠপর্যায় থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রত্যাহার শুরু হবে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রথম ধাপে দূরবর্তী জেলাগুলো থেকে সেনাসদস্যদের ফিরিয়ে আনা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় শহর ও বড় জেলাগুলো থেকেও তাদের প্রত্যাহার করা হবে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য মাঠে নামানো হয়েছিল প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো সময়জুড়েই তারা বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠকে সেনাসদস্য প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। যদিও বৈঠকের পর তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়নি, বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্যটি নিশ্চিত করে।
এর আগে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছিলেন, সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যেতে চায় এবং পুলিশ বাহিনী পুরোপুরি পুনর্গঠিত হলে সেনাসদস্যরা নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যাবেন। সেই ধারাবাহিকতায় গত বছরের নভেম্বর থেকে কিছু সেনাসদস্যকে মাঠপর্যায় থেকে প্রত্যাহারও করা হয়।
তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আগের মতোই মাঠে দায়িত্ব পালন করেন। পরে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সেনাপ্রধান বলেন, নবনির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাবে।









