জামালপুর-৩ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী লিটন মিয়াকে অপহরণ করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন তার ফেসবুক পোস্টে লিটন মিয়ার নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানান। পোস্টে তিনি লেখেন, “দুপুর থেকে লিটন মিয়ার খোঁজ নেই। মোবাইল বন্ধ।”
নিখোঁজ লিটন মিয়া মেলান্দহ উপজেলার ছবিলাপুর গ্রামের কোরবান আকন্দের ছেলে এবং জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি। পরে রাত ১১টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার মহিরামকুল এলাকায় স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে মেলান্দহ থানার ওসি ওবায়দুল রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন।
ঘটনার বর্ণনায় লিটন মিয়া জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে জামালপুরে ফেরার পর শহরের নয়াপাড়া পাঁচরাস্তা মোড়ের একটি হোটেলে খাবার খান। এরপর হেঁটে বিজয় চত্বরে গিয়ে দাঁড়ান এবং কিছুক্ষণ পর মেলান্দহ রোডে হাঁটতে থাকেন। এ সময় একটি মাইক্রোবাস থেকে ৬–৭ জন যুবক নেমে তাকে জোর করে গাড়িতে তুলে চোখ-মুখ বেঁধে মারধর করে এবং নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দেয়। পরে তাকে মেলান্দহের মহিরামকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ফেলে যায়।
তিনি আরও দাবি করেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে নিজের মোবাইল ফোন তিনি ইচ্ছে করে বন্ধ করেছিলেন। তবে তার প্রাইভেটকার দুই ঘণ্টা পর ফিরেছে কি না—এ ব্যাপারে নিশ্চিত জানাতে পারেননি। এছাড়া আগের দিন সোমবার কিছু অপরিচিত ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছিল বলেও জানান।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি আগে না জানানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারেননি।
মেলান্দহ থানার ওসি মো. ওবায়দুল রহমান বলেন, “ট্রাক মার্কার প্রার্থী লিটন মিয়াকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। কিছু প্রশ্নের উত্তর এখনো অস্পষ্ট।” তিনি জানান, পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









