বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত করেছেন। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গিয়ে তিনি হাদির কবর জিয়ারত করেন।
এর পর তারেক রহমানের নির্বাচনি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রাজধানীতে আরও কয়েকটি কর্মসূচি রয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে আজই তিনি ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হবেন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করবেন। গত সোমবার নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ তথ্য জানিয়েছিলেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, কবর জিয়ারতের পর তারেক রহমান নির্বাচন কমিশনে যাবেন। তবে তিনি কোথায় ভোটার হবেন—বাসায় নাকি নির্বাচন অফিসে—তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দলের একটি সূত্র জানিয়েছে, তিনি ঢাকার ভোটার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে আইন অনুযায়ী, যোগ্য যে কোনো ব্যক্তির নাম ইসি যেকোনো সময় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। এক-এগারোর পর ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরি হয়। সে বছর চিকিৎসার উদ্দেশে লন্ডনে যাওয়ায় তারেক রহমান তালিকায় নাম তুলতে পারেননি। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি দেশে ফেরেননি, ফলে ভোটারও হননি।
বিএনপির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছে, তারেক রহমান পৈতৃক এলাকা বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে নির্বাচন করবেন। স্থানীয় নেতারা তার পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তবে তিনি একই সঙ্গে আরও কোনো আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কি না, তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনায় আছে ঢাকার ঢাকা-১৭ আসন থেকেও তিনি প্রার্থী হতে পারেন—যে আসনটি এখন পর্যন্ত বিএনপি শূন্য রেখেছে। যদিও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের জন্য এই আসনটি ছাড়তে পারে বলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। সম্প্রতি ইসি পরিপত্র জারি করে জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তি একই সময়ে তিনটির বেশি আসনে প্রার্থী হতে পারবেন না।









