তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে ৩০০ ফিট সড়কে জনস্রোত

ষ্টাফ রিপোর্টার

রাজধানীর বসুন্ধরায় ৩০০ ফিট সড়ক পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৮টার দিকেই সড়কটির আশপাশের প্রতিটি ইঞ্চি জায়গা মানুষে ঠাসা হয়ে যায়। মঞ্চের সামনে তো নয়ই, পাশের এলাকাতেও দাঁড়ানোর মতো জায়গা ছিল না।

আয়োজিত সংবর্ধনা মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে আগেই—মঞ্চে ১৯টি চেয়ার এবং চারপাশে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া পাহারা।

১৭ বছরের বেশি সময় নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ দেশে ফিরছেন। বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের লন্ডন-ঢাকা ফ্লাইটে যাত্রা শুরু করেন তিনি। ঢাকায় অবতরণের নির্ধারিত সময় বেলা ১১টা ৫৫ মিনিট।

তারেক রহমানকে দেখার আকাঙ্ক্ষায় দেশজুড়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল থেকে ভোরেই ঢাকায় পৌঁছেছেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আকতারুল ইসলাম। তিনি বলেন, “এতদিন শুধু ফেসবুকে দেখেছি, আজ সরাসরি দেখব। এজন্যই আমরা চার বন্ধু ঢাকায় এসেছি। বাড়িতে বলে এসেছি—তারেক ভাইকে দেখে এসে মিষ্টি খাওয়াব।”

পূর্ব-পশ্চিম দিকের মহাসড়ক দিয়ে দলে দলে মিছিল আসছে। বরিশাল, রাজশাহী, দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, খুলনা ও ময়মনসিংহ থেকে বিশেষ ট্রেনে নেতাকর্মীরা রাতেই ঢাকায় পৌঁছেছেন।

পটুয়াখালী থেকে দুই ছেলে ও ভাগ্নেকে নিয়ে লঞ্চে এসেছেন সুবিদ মাস্টার। তিনি বলেন, “এক-এগারোর পর ১৬ বছর ধরে আমরা তারেক রহমানের ওপর অমানবিক নির্যাতন দেখেছি। তার বক্তব্য পর্যন্ত প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল—বিশ্বে এর নজির নেই। আজ এত শীতেও এসেছি তাকে একনজর দেখার জন্য। আমার মতো অসংখ্য মানুষ এসেছে শুধুই ভালোবাসা থেকে।”

৩০০ ফিট সড়কের সংবর্ধনাস্থল ইতোমধ্যেই কানায় কানায় পূর্ণ। বিমানবন্দর, পূর্বাচল, বনানী, যমুনা ফিউচার পার্কসহ বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে নেতাকর্মীরা ব্যান্ডদলসহ মিছিল নিয়ে এগিয়ে আসছেন। স্লোগান আর উৎসবমুখর পরিবেশে পুরো এলাকা এখন উচ্ছ্বাসে মুখর।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *