স্কুলে যাওয়ার পথে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের পর তাকে অজ্ঞান অবস্থায় রাস্তার ধারে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য শজিমেকে নেওয়া হয়।
মেয়েটির মা জানান, ‘আমার মেয়ে সকাল ৯টায় স্কুলের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। বিকেল ৩টা পর্যন্ত যখন বাড়িতে ফিরে আমায় তার সহপাঠীদের জিজ্ঞেস করি। কিন্তু তারা কিছু বলতে পারে না। বিকেল ৫টার দিকে খবর পাই মেয়ে রাস্তার পাশে ঝোপের ভিতর পড়ে আছে।’
স্থানীয়রা জানান, বিকেলে পথচারীরা মেয়েটিকে সড়কের পাশে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তার পরিবারকে খবর দেয়। তারা মেয়েটিকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাত ১১টার দিকে দায়িত্বরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শজিমেক হাসপাতালে পাঠান।
জানতে চাইলে ওই ছাত্রী বলেন, ‘রাস্তা থেকে দুটি ছেলে আমাকে জোর করে গাইবান্ধা মোড়ের দিকে নিয়ে চেতনানাশক জাতীয় ওষুধ খাওয়ায়। পরে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। এরপর থেকে আমার আর কিছু মনে নেই। পরে যখন জ্ঞান ফিরে তখন দেখি আমি রাস্তার পাশে পড়ে আছি এবং উঠতে পারছি না।’
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক জানান, ‘বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে দ্রুতই আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’









