‘নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পরও ভোট চুরি হতে পারে। তাই ফলাফল না দেখে কেউ ভোটকেন্দ্র ত্যাগ করবেন না’—এ মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠক শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় জোটের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
গণভোট প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি আশা করছেন ‘হ্যাঁ’ বিপুল ভোটে জয়ী হবে। তার ভাষায়, “‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে বাংলাদেশ জিতবে, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন সামনে এগোবে। আবরার থেকে শুরু করে শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারও নিশ্চিত হবে। আমরা ১১ দল সবসময়ই সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে ছিলাম। জাতি অতীতের রাজনীতির মূল্য চুকিয়েছে।”
তিনি বলেন, “আমরা সমাজে সর্বত্র ন্যায়বিচার দেখতে চাই। যদি তা প্রতিষ্ঠিত করা যায়, সমাজ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। আমাদের তরুণদের কাজ দরকার; তারা কারও দয়া নয়, নিজেদের অধিকার অনুযায়ী দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে চায়। আমরা তাদের সেই পথ করে দিতে চাই। তরুণদের হাতেই আমরা নতুন বাংলাদেশ তুলে দিতে প্রস্তুত।”
২০০৮ সালের পর দেশে প্রকৃত গণরায়ের প্রতিফলন হয়নি উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, “এবার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। যাদের ভোট গ্রামে, তারা নাড়ির টানে ফিরছেন এবং আগ্রহ নিয়ে ভোট দেবেন। গণরায় প্রতিফলিত হলে বাংলাদেশ নতুন রাজনৈতিক ধারায় হাঁটবে এবং যে নতুন দেশের স্বপ্ন মানুষ মনে লালন করে, তা বাস্তবে রূপ নেবে।”
তিনি নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান—“আপনারা রাষ্ট্রের কর্মচারী; বাংলাদেশ আপনাদেরও। ন্যায়নিষ্ঠ থেকে দায়িত্ব পালন করুন। জনগণ আপনাদের প্রতি সম্মান দেখাবে, আপনাদের কাজকে মূল্যায়ন করবে।”









