সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা না হওয়ায় আরও একবার তারিখ পিছিয়েছে। টানা ১২৩ বার পিছিয়ে এবার প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত এসপি মো. আজিজুল হক আদালতে উপস্থিত থাকলেও প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। ফলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন সকালে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আট জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন—বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ।
প্রথমে মামলার তদন্ত শেরেবাংলা নগর থানার এক এসআইয়ের কাছে থাকলেও চার দিন পর তা ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করেও ডিবি রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র্যাবের কাছে যায়।
সর্বশেষ গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার কার্যকর তদন্ত নিশ্চিত করতে হাইকোর্ট অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেয়। সেই অনুযায়ী গত ১৮ অক্টোবর পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে এবং ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্নের নির্দেশ দেয়। তবে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন দায়ের করতে পারেনি টাস্কফোর্স।









