জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের ১২তম দিনে হঠাৎ উত্তেজনা সৃষ্টি হয় যখন জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলগুলো ওয়াকআউট করে অধিবেশন ত্যাগ করে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিরোধী দলের নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমান ঘোষণা দেন যে তারা আর অধিবেশনে থাকবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের যৌক্তিক আপত্তি উপেক্ষা করে একের পর এক গণবিরোধী বিল পাস করা হয়েছে, যার দায় তারা নিতে চান না। তার ঘোষণার পর বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা ধারাবাহিকভাবে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।
এর আগেই কণ্ঠভোটে জেলা পরিষদ (সংশোধিত) এবং পৌরসভা (সংশোধিত) বিলসহ মোট ১২টি বিল পাস হয়। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো অপরিবর্তিত রেখে ৯টি বিল পাস করা হয়েছে। পাশাপাশি দুইটি অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন দুটি বিল অনুমোদন দেয় সংসদ।
এদিন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ বাতিল করে ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬ পাস হয়। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫ রহিত করে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬ এবং বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬-ও পাস করে সংসদ।









