সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদের ভেতরেই সমাধান চান বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সংসদ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলে রাজপথে আন্দোলনে যেতে হতে পারে, যদিও দল তা চায় না। রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি আজ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে এবং স্পিকার তা বিবেচনায় নিয়ে নোটিশ দিতে বলেছেন। এ ধারাবাহিকতায় সংসদীয় প্রক্রিয়াতেই সমাধান আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। আদালতে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না—এ প্রশ্নে তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
তিনি মনে করেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়টি কার্য উপদেষ্টা কমিটির আলোচ্য না হয়ে সরাসরি সংসদেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। তবুও প্রয়োজনে যদি কমিটিতে বিষয়টি ওঠে, তা তখন দেখা হবে।
জামায়াত আমির বলেন, ২০২৬ সালে কোনো নির্বাচন হয়নি, বরং প্রেসিডেনশিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা সবার ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। তিনি মন্তব্য করেন, একই আদেশ এক পক্ষ মানবে আরেক পক্ষ মানবে না—এমন বৈষম্য গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি জানান, অধিবেশনের শুরুতেই তারা পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিষয়টি উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছিলেন। পরে স্পিকারের নির্দেশনায় তারা বক্তব্য রাখার সুযোগ পান। গত বছরের ১৩ নভেম্বর জারি করা সংশ্লিষ্ট আদেশ সংসদে পড়ে শোনানোর পর তারা দাবি করেছেন, আজ পঞ্জিকা দিবস হওয়ায় বিষয়টির সমাধান জরুরি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা শপথ নিয়েছেন, কিন্তু যারা এখনও শপথ নেননি তাদের শপথ গ্রহণ কবে হবে, সংস্কার পরিষদের অধিবেশন কবে ডাকা হবে, গণভোটে প্রাপ্ত জনমতের পরিণতি কী হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর জরুরি। তিনি দাবি করেন, গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন, তাই এর ভবিষ্যৎ অবস্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন।









