যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে—এমন অভিযোগ এনে ঘটনাটিকে ‘সরাসরি সামরিক আগ্রাসন’ বলে আখ্যা দিয়েছে দেশটির সরকার। সরকারি এক বিবৃতিতে অভিযোগটি তুলে ধরা হয়, যার সত্যতা শনিবার (৩ জানুয়ারি) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, রাজধানী কারাকাসসহ মিরান্ডা, আরাগুয়া ও লা গুয়াইরা অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলাকে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পিত সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কারাকাস। সরকারের দাবি, ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদ দখলের উদ্দেশ্যেই এসব হামলা পরিচালিত হয়েছে। তবে এমন প্রচেষ্টা সফল হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে মাদুরো প্রশাসন।
উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশজুড়ে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। সরকারের ভাষ্য, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে একাধিক স্থাপনায় হামলা পরিচালিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সামরিক স্থাপনাও রয়েছে। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন সব প্রশ্ন হোয়াইট হাউসের কাছে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিএস।
সাম্প্রতিক এই হামলার ঘটনায় দুই দেশের মধ্যকার ইতোমধ্যেই উত্তপ্ত সম্পর্ক আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।









