পাল্লেকেলেতে দারুণ উত্তেজনায় ভরা লড়াইয়ে পাকিস্তানকে দুই উইকেটে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের শেষ পর্যন্ত অনিশ্চয়তায় রাখা এই জয় তাদেরকে সুপার এইটে টানা দ্বিতীয় সাফল্য এনে দিয়েছে, আর সেই সঙ্গে পা রেখেছে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। বিপরীতে একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত ও এক হারে বিদায়ের শঙ্কায় পাকিস্তান।
ইংল্যান্ডের জয়ের নায়ক হ্যারি ব্রুক। সতীর্থদের ব্যর্থতার ভিড়ে তার বিধ্বংসী সেঞ্চুরি ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে যায়। ১৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে দলটি। পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে ফেরান ফিল সল্ট, জস বাটলার ও জ্যাকব বেথেলকে। দ্রুতই ইংলিশরা হারায় চার উইকেট।
উসমান তারিকও টম ব্যান্টন ও স্যাম কারানকে দ্রুত ফিরিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলেন। তবে একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ব্রুক দেখান দুর্দান্ত ব্যাটিং। মাত্র ২৮ বলে অর্ধশতক আর ৫০ বলে অসাধারণ সেঞ্চুরি করে শাহিন আফ্রিদির বলে আউট হন তিনি। ৫১ বলে ১০০ রানের ইনিংসে আসে ১০টি চার ও ৪টি ছক্কা। ততক্ষণে ম্যাচ প্রায় নিশ্চিত ইংল্যান্ডের পক্ষে।
শেষদিকে উইল জ্যাকস আউট হলেও প্রয়োজনীয় রান ছিল নাগালের মধ্যেই। শেষ ওভারে দরকার ছিল তিন রান, যা বাউন্ডারি মেরে শেষ করেন জোফরা আর্চার। পাঁচ বল হাতে রেখেই জয় পায় ইংল্যান্ড। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ চার উইকেট নিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে সাহিবজাদা ফারহানের ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে ৮ উইকেটে ১৬৪ রান তোলে পাকিস্তান। ফারহান করেন ৬৩ রান, ইনিংসে থাকে সাতটি চার ও দুটি ছক্কা। শেষদিকে শাদাব খানের ১১ বলে ২৩ রানের ক্যামিওতে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় তারা।
তবে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল বেশ স্পষ্ট। বাবর আজম করেন ২৪ বলে ২৫ রান, ফখর জামান ১৬ বলে ২৫। বাকিরা সেভাবে আলো ছড়াতে পারেননি।
ইংল্যান্ডের হয়ে লিয়াম ডসন নেন তিন উইকেট। জোফরা আর্চার ও জেমি ওভারটন দুটি করে এবং আদিল রশিদ একটি উইকেট নেন।









