বিদেশি নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে তার নির্বাচনে অংশ নিতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। রিটটি করেছিলেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। নাহিদ ইসলামের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা ও অ্যাডভোকেট আলী আজগর শরীফী।
ঢাকা-১১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১০ জন প্রার্থী। বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে এম এ কাইয়ুম, ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম শাপলা কলি প্রতীকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ হাতপাখা প্রতীকে এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আহমেদ লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের আরিফুর রহমান ট্রাক প্রতীকে, গণফোরামের আবদুর কাদের, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির জাকির হোসেন হাতি প্রতীকে, এনপিপির মিজানুর রহমান আম প্রতীকে, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী মো. শহীদুল্লাহ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী কহিনূর আক্তার বিথী ফুটবল প্রতীকে মাঠে আছেন।
রাজধানীর বাড্ডা, ভাটারা, রামপুরা ও হাতিরঝিল থানার আংশিক এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১১ আসনে মোট ভোটার চার লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার দুই লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন এবং পুরুষ ভোটার দুই লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের তিনজন ভোটারও রয়েছেন।









