নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে গাজীপুরের মাওনা থেকে তাকে আটক করা হয়। একই সময় ময়মনসিংহের গৌরিপুর থেকে আরেক আসামি হযরত আলীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল ফারুক।
এর আগে বৃহস্পতিবার বাবার কাছ থেকে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে মহিষাশুড়া ইউনিয়নের একটি সরিষা খেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই মাধবদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ানসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, ১৫ দিন আগে বাসায় ফেরার পথে মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছিল। বিচার চাইতে তারা স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আহমদুল্লাহর কাছে গেলে বিচার না করে বরং এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয় তাদের। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্তরা নতুন করে হামলে পড়ে। বুধবার রাতে মেয়েকে খালার বাড়ি পৌঁছে দিতে যাওয়ার পথে বাবাকে আটকে কিশোরীকে আবার অপহরণ করা হয়। পরদিন সকালে সরিষা খেতে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
মাধবদী থানার ওসি মো. কামাল হোসেন জানান, নয়জনকে আসামি করে মামলা নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার পাঁচজন এবং শুক্রবার আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা চলছে।
এদিকে শুক্রবার রাতে ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ানকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয় সদর উপজেলা বিএনপি।









