পদ্মা নদীতে নাব্য সংকটের কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাট সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ঘাটটিতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। বর্তমানে ওই এলাকায় ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান থাকায় যাত্রী ও যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঘাটসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নদীর তলদেশে অতিরিক্ত পলি জমে যাওয়ায় ফেরি চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ফলে ড্রেজিং কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে এবং দুর্ঘটনা এড়াতে সাময়িকভাবে ৭ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ রাখা হয়েছে।
এতে দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রী ও যানবাহন চালকদের সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। তবে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নৌরুটে যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প ফেরিঘাট ব্যবহার করে পারাপার কার্যক্রম চালু রয়েছে।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন ইনচার্জ (সারিং) হুমায়ন কবির জানান, ‘আজ সকাল ৯টা থেকে ঘাট এলাকায় ড্রেজিং কাজ চলছে। এ কারণে ফেরিঘাটটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। কবে নাগাদ এটি চালু হবে, তা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।’
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখা কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, ‘ড্রেজিং কার্যক্রম শেষ হলে ৭ নম্বর ফেরিঘাটটি পুনরায় চালু করা হবে। কাজ শেষ হতে কত সময় লাগবে, তা সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানাতে পারবেন।’
বর্তমানে দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌরুটে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১২টি ফেরি চলাচল করছে এবং এসব ফেরির মাধ্যমে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে যাত্রী ও চালকরা জানান, প্রতিবছর নাব্য সংকটের কারণে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। তারা নৌরুটে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য পরিকল্পিত ও নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
বিআইডব্লিউটিসি পাটুরিয়া ঘাটের ম্যানেজার (মেরিন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ড্রেজিং কাজ শেষ হলে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দ্রুতই ৭ নম্বর ফেরিঘাট পুনরায় চালু করা হবে।









