দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে তাকে বহনকারী ফ্লাইট ‘বিজি–২০২’ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
তার আগেই সকালে বিমানবন্দরে পৌঁছেছে তারেক রহমানের জন্য আনা বুলেটপ্রুফ গাড়ি। সকাল ৭টার কিছুক্ষণ আগে গাড়িটি বিমানবন্দরে প্রবেশ করে। এই গাড়িতেই তিনি বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাবেন।
গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১০টার দিকে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান তারেক রহমান। সেখানে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা বলয়ের শেষ পর্যন্ত তারা তাকে এগিয়ে দেন। পরে তিনি চেক-ইন শেষে ভেতরে প্রবেশ করেন। রাত সোয়া ১২টার দিকে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।
দলের প্রায় ৫০ নেতাকর্মীও একই ফ্লাইটে বাংলাদেশে আসছেন। ফ্লাইটটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করে ঢাকায় পৌঁছাবে।
ঢাকায় ভিআইপি লাউঞ্জে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সিনিয়র নেতারা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানাবেন। সেখান থেকে তিনি সরাসরি পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় প্রস্তুত বিশাল সংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন, যেখানে তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন এবং আগামী দিনের করণীয় তুলে ধরবেন।
এদিকে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করতে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে। ভোরের তীব্র শীত উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানস্থলে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। কুড়িল থেকে মঞ্চ এলাকা পর্যন্ত নেতা–কর্মীদের স্রোত অব্যাহত রয়েছে।
সরেজমিন দেখা যায়, সর্বত্র উৎসবমুখর পরিবেশ। নেতাকর্মীদের মুখে একটিই স্লোগান— ‘লিডার আসছে’। প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও উচ্ছ্বাসে পুরো ৩০০ ফিট এলাকা এক বিশাল উৎসবমঞ্চে রূপ নিয়েছে।









