সবার জন্য ইন্টারনেট নিশ্চিত করাসহ, মানুষের জীবন-যাপনকে সহজ করা এবং এই খাতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিষয়গুলোকে মাথায় রেখে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে ৭ দফা পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে বিএনপি।
শনিবার রাজধানীর বনানী ক্লাবে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে সাত দফা তুলে ধরেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। ‘আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আইসিটি সেক্টরের ভূমিকা ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভাটির আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম। আইসিটি সেক্টরের ইকোসিস্টেম ডেভেলপমেন্ট বিশেষজ্ঞ মোঃ শামীম আজাদ এর সঞ্চালনায় এ সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর মঈন খান। বিশেষ অতিথি বিএনপি’র চেয়ারম্যান এর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এপোলো। সভাপতিত্ত করেন রওশান কামাল জেমস।
অতিথিদের আলোচনার আগে একটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হোসাইন উদ্দিন শেখর, এই খাতের ব্যবসায়ী মামুনুর রহমান, বেসিস এসোসিয়েট কমিটির সদস্য রোকমুনুর জামান রনি এবং প্রযুক্তি বিষয়ক লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মারুফ মল্লিক। আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন সামিউল ইসলাম।
সামনের নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠণ করলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কী কী পরিবর্তন আনতে চায় তা তুলে ধরেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাাহদী আমিন। বিএনপির পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমরা সবাই মিলে এমন একটা বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে সফল হওয়ার জন্য, ভালো কিছু করার জন্য নির্দিষ্ট কোন দল করতে হবে না। যাদের মেধা রয়েছে বৈষম্যহীণভাবে প্রত্যেকের জন্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে, সমাজের কাছ থেকে সুযোগ আসবে। সেই সুযোগ তৈরির প্রত্যয় নিয়েই বিএনপি বিভিন্ন পরিকল্পনা জাতির সামনে উপস্থাপন করেছে।
“আমাদের চেয়ারম্যান দেশে এসেই তার ঐতিহাসিক বক্তব্যে বলেছেন, ‘আই হ্যাভ অ্যাা প্ল্যান’। সেই প্ল্যানটিই হচ্ছে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা যেখানে আমাদের সমস্যার সমাধান হবে, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।”
বিএনপির পরিকল্পনার মধ্যে থাকছে-
আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর নাগরিক সেবা:
বিএনপি সরকারে গেলে নিয়ে আসবে কৃষকদের সহায়তায় ‘কৃষক কার্ড’, পরিবারে নারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এআই-ভিত্তিক স্বাস্থ্য রেকর্ড, শিক্ষার মান বাড়াতে এআই-ভিত্তিক কানেক্টেড স্কুল ও লার্নিং সিস্টেম, তাৎক্ষণিক জরুরি অ্যাম্বুলেন্স ও স্বাস্থ্য সেবা, অটোমেশন এর মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে পুলিশি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা, এআই পরিচালিত ইমিগ্রেশন সিস্টেম, স্বয়ংক্রিয় ভূমি ও কর ব্যবস্থাপনা এবং সরকারি ও বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তি নির্ভর ওয়ান স্টপ সার্ভিস।
আন্তর্জাতিক বাজারে চোখ
দেশের সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও বিপিও শিল্পকে শক্তিশালী করতে ‘মেইড অথবা অ্যাসেম্বেলড অথবা সার্ভিসড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগ চালু করতে চায় বিএনপি। যাতে এসব পণ্য ও সেবা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রথম সারিতে প্রতিযোগিতা করতে পারে। আমাদের পাশের দেশসহ অনেক জায়গায় হয়েছে। আমাদের সেই প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও সুযোগের অভাবে আমরা এখনো পারিনি।
দশ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান
আইসিটি খাতকে দ্রুত সক্রিয় করতে সাইবার নিরাপত্তা, বিপিও, এআই-ডেটা, সেমিকন্ডাক্টর, ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ সহ পাঁচটি খাতে সরাসরি দুই লক্ষ এবং ফ্রিল্যান্সিং ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে আরও আট লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি করতে চায় বিএনপি।
পেপালসহ প্রযুক্তিভিত্তিক ‘ক্যাশ-লাইট’
ফ্রিল্যান্সার ও প্রযুক্তিবিদদের সুবিধার জন্য পেপ্যালসহ একটি জাতীয় ই-ওয়ালেট চালু করা হবে। যাতে দৈনন্দিন কেনাকাটা, বিল, ফি, কর—সবই সহজে ডিজিটালভাবে পরিশোধ করা যায়।
সবার জন্য ইন্টারনেট
বিএনপি সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে স্কুল-কলেজ, অফিস, গ্রামীণ ডিজিটাল সেন্টার, হাসপাতাল, রেলস্টেশন, এয়ারপোর্টসহ নির্দিষ্ট জনবহুল স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেবে। এতে দেশের সবাই সহজে তথ্য নিতে ও আধুনিক সেবা ব্যবহার করতে পারবে। মূল উদ্দেশ্য দেশের মানুষ যেন সবাই এই ইন্টারনেট ব্যবহার করে যার যার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে শানিত করতে পারে।
আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা
নাগরিকদের তথ্য ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল অবকাঠামো রক্ষায় জনগণ ও দেশি-বিদেশি স্টেক হোল্ডারদের সাথে নিয়ে শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা ও আইন করতে চায় বিএনপি।
এআই-চালিত ডেটা সেন্টার ক্যাম্পাস
মাহদী বলেন, “শুধুমাত্র ২০২৩ সালেই বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইটগুলোতে ৬ কোটি ৩০ লক্ষবার সাইবার এটাক হয়েছে। এর চেয়েও ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে- ওই একই বছর বাংলাদেশের ৫ কোটিরও বেশি নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ইন্টারনেটে বিক্রি হয়ে গেছে। এটা আমাদের সাইবার সার্বভৌমত্বের জন্য অনেক বড় হুমকি। তাই দেশ ও নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের ডেটা দ্রুত ও নিরাপদে সংরক্ষণ ও বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশে একাধিক আধুনিক টিয়ার-৪ ও টিয়ার-৩ ডেটা সেন্টার দরকার। তাই বিএনপি সরকার গঠনের সুযোগ পেলে ‘ক্লাউড-ফার্স্ট’ কৌশলে দেশের প্রথম এআই-চালিত ডেটা সেন্টার ক্যাম্পাস স্থাপন করা হবে।
সার্ভার না থাকার যন্ত্রণায় মঈন খান
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, “আইসিটি তো শুধু টেকনোলজির জন্য নয়, আইসিটি মানুষের জন্য। আমাদের জীবন ধারণ পদ্ধতিকে আধুনিকায়ন তথা সহজ করে তোলার জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য আমরা আইসিটি ব্যবহার করি। এটা আমি বিশ্বাস করি। সেই চেষ্টা আমরা করেছিলাম। সেই কাজটি কিন্তু বাংলাদেশে আমরা প্রথম শুরু করেছিলাম। তখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একটি মন্ত্রণালয় (আইসিটি মন্ত্রণালয়) সৃষ্টি করেছিলেন এবং সে মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দিয়েছিলেন বাংলাদেশকে আধুনিকায়নের জন্য।”
তিনি বলেন, “কিন্তু আমাদের যে প্রথম চেষ্টা সেটা কেন পুরোপুরি অর্জিত হয়নি? আমি আজকে থেকে তিন-চারদিন আগে নিজের একটি উদাহরণ দিচ্ছি। আমাদের একটি গাড়ির যে ট্যাক্স দিতে হয়, সেটা দেবার প্রক্রিয়াটা আধুনিক করা হয়েছে। এটা এখন ম্যানুয়ালি না দিয়ে, এটা আপনার কম্পিউটার আইসিটি টেকনোলজির মাধ্যমে আদায় করা হয়। এই ট্যাক্স ব্যাংকে দিতে গিয়ে যখন চেষ্টা করা হলো তারা বলল যে, ‘এটা আমরা করতে পারছি না। সার্ভারে সমস্যা হচ্ছে।’ সার্ভারে কি সমস্যা হচ্ছে? কোন নাম্বারের সঙ্গে কোন নাম্বার মিলছে না… তারপরে সেটা নিয়ে একদিন যায়, দুইদিন যায়, তিনদিন যায় এর মধ্যে ট্যাক্স দেবার যে শেষ দিন ছিল সেই শেষ দিনটি পার হয়ে গিয়েছে। তো পুরো কাজটি করতে সাত দিন লেগেছে এবং যে পরিমাণ হয়রানি হয়েছে সাতটি অফিসে দৌড়াদৌড়ি করতে হয়েছে করার জন্য। আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমরা সবকিছু যে আমরা এই আইসিটি টেকনোলজির মাধ্যমে করতে চাচ্ছি তার মূল উদ্দেশ্যটা কি? মানুষের জীবনযাপন প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলা। আমরা যদি সহজ করে তোলার পরিবর্তে কঠিন করে তুলি তাহলে আইসিটির প্রবর্তন করে কি লাভ হবে?”
“আমার বিশ্বাস এই কক্ষে যারা আছে তাদের প্রত্যেকের ব্যাংকে বা এখানে-সেখানে একবার না একবার ‘সার্ভার কাজ না করার’ অভিজ্ঞতা আছে। এই টেকনোলজি দিয়ে মানুষের কোন কল্যাণ হবে না। সার্ভারকে কাজ করতে হবে, সার্ভারকে কাজ করাতে হবে। একটু আগে শুনেছেন আপনারা এআই নিয়ে, এআই কিন্তু নিজে থেকে সব কাজ করবে না, ওর পেছনে যারা আছে তাদেরকে করাতে হবে।”
মঈন খান বলেন, “আমরা বিগত ১৫ বছরে দেখেছি আইসিটি নামে আসলে টেকনোলজির কোন উদ্ভাবন হয়নি। টেকনোলজির কোন প্রয়োগ হয়নি। এখানে হয়েছে দুর্নীতি, সীমাহীন দুর্নীতি। আপনারা হয়তো অনেকে জানেন না। নতুন প্রজন্ম জানে না। আমরা কালিয়াকৈরে একটি প্রকল্প আমরা হাতে নিয়েছিলাম। বাংলাদেশের সবচেয়ে যে কঠিন জিনিস যে জমি পাওয়া সেটা কিন্তু আমরা করে এসেছিলাম সেখানে। কিন্তু পরবর্তীতে আমি (যদি স্লাইডে ভুল না দেখে থাকি) সেখানে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার মত বোধহয় ব্যয় হয়েছে বা প্রকল্প নেয়া হয়েছিল। কিন্তু নেট রেজাল্ট হচ্ছে জিরো। আইসিটি নগরী সেখানে তৈরি হয়নি।
“আইসিটির নামে দুর্নীতি হয়েও যদি মানুষের সেবা সঠিকভাবে দিতে পারতো তাহলেও আমি বুঝতাম যে কিছু অর্জন হয়েছে। আমরা চাচ্ছি সবাইকে ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া। কারণ আমরা বিশ্বাস করি মানুষের জীবন-যাপন প্রক্রিয়াকে সহজ করাটাই হচ্ছে মূল উদ্দেশ্য। সেই উদ্দেশ্য যদি সাধিত না হয় তাহলে তো আমি আইসিটি করলাম কি না করলাম তাতে তো কিছু এসে যায় না।”
“আমরা যে কাজটি আজকে থেকে ২৫ বছর আগে শুরু করেছিলাম। সেই কাজটি যদি মাঝখানে যে ১৭ বছরের যে সরকার তারা যদি সেটাকে মিসইউজ না করতো বা সেটাকে ব্যবহার করে দুর্নীতি বা অর্থ উপার্জন না করে মানুষের কল্যাণে যদি আইসিটিটাকে ব্যবহার করতো তাহলে তো আজকে আমরা এই অবস্থায় আসতাম না। আমি মনে করি এই যে দুর্বৃত্তায়নের হাত থেকে আইসিটিকে যদি আমরা রক্ষা না করি, এই প্রযুক্তি যদি মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করতে না পারি তাহলে কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমরা দায়ী হয়ে থাকব।”
তিনি বলেন, “আজকে জনাব তারেক রহমান আমাদের বর্তমান চেয়ারম্যান তিনি কিন্তু আবার নতুন করে সেদিকে দৃষ্টি দিয়েছেন এবং আমি বিশ্বাস করি এবার আমরা সেই কাজটি সফলভাবে করতে পারবো।”
এতো টাকা গেল কোথায়?
সভায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এপোলো তথ্য দিয়ে দেখান যে এই খাতে বিগত বছরগুলোতে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও খাতটি জিডিপিতে তেমন কোন অবদান রাখছে না। বরাদ্দর টাকা কোথায় গেল তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, “আইসিটি সেক্টরে কিন্তু বাজেট কম ছিল না কখনো। ২০১৯-২০ সালে প্রায় ১২০০ কোটি টাকা বাজেট ছিল। সবচেয়ে বেশি বাজেট ছিল এই খাতে ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে, ২৮০০ কোটি টাকা। আওয়ামী লীগ কিন্তু ৫ অগাস্ট চলে গেছে। এই টাকাটার ৯৫ শতাংশ ব্যায় হয়েছে কিন্তু এই অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। আপনারা কে কী পরিবর্তন দেখেছেন আমি জানি না, আমি কিন্তু দৃশ্যমান কোন পরিবর্তন দেখিনি। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বাজেট ২১০০ কোটি টাকা কীভাবে ব্যয় হচ্ছে আমরা তাও জানি না। আমরা এতো যে এখানে বাজেট বরাদ্দ করছি তো ফলাফল কী আসছে। জিডিপিতে এই খাতের অবদান দশমিক ২৪ শতাংশ। বেসরকারি খাত ধরলে এটা ৪ শতাংশের কাছাকাছি যায়। বেসরকারি খাত কিন্তু কোন সাহায্য-সহযোগিতা ছাড়াই এটা দিচ্ছে।”
ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, “আমরা এমন একটা ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চাই যেটা কখনো ভেঙে যাবে না, যেটা ঘুষ দেওয়ার ওপর নির্ভর করবে না। যেটা বাতিল প্রজেক্টে সরকারি অনুদান দিতে বলবে না।”
তিনি বলেন, “অনেক অ্যাপ তৈরি হয়েছে, টাকা খরচ করা হয়েছে বিগত সরকারের আমলে। কিন্তু সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে কারণ ইকোসিস্টেম তৈরি হয়নি।”
“আমরা এটা কীভাবে করব? এক্সিজটিং কাঠামো সব ভেঙে ফেলবো? না আমরা এটা মূল্যায়ন করবো যে ক্ষতি কতোখানি হয়েছে। আমাকে পুনঃনির্মাণ করতে হলে সেটা অডিট করতে হবে। এরপর রি-এডজাস্টের স্কোপগুলো দেখতে হবে। এটা হচ্ছে আমাদের প্ল্যান।”
পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমাদের কানেক্টিভিটিটাকে আমরা প্রথম প্রয়োরিটি দিচ্ছি। এরপর সাইবার সিকিউরিটি। এরপর ক্লাউড, ডেটাসেন্টারসহ ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার।
তিনি ৯৫ শতাংশ মানুষকে হাইস্পিড ইন্টারনেটের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা বলেন। শহর ও গ্রামাঞ্চলের কয়েকটি জনসমাগম স্থলে ফ্রি ইন্টারনেট দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও বলেন তিনি। সেমিকন্ডাক্টরসহ অ্যাডভান্সড হার্ডওয়্যার এর যেন একটা ল্যাব তৈরি করা যায় সেই চেষ্টাও করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নাগরিকদের ডেটা সুরক্ষার বিষয়টি সরকার নিশ্চিত করবে জানিয়ে ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, “আর কোন ডেটা যাতে বাজারে চলে না যায় সেটা আামরা নিশ্চিত করতে চাই।”









