ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যার খবরে পাকিস্তানজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দেশজুড়ে সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, করাচিতে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ১০ জন নিহত হন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান ওঠে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং ধাওয়া–পাল্টাধাওয়া চলে। হাসপাতাল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে ৯৬ জন আহত হয়েছেন।
উত্তরের শহর স্কারদুতেও বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যেখানে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। সেখানে জাতিসংঘের একটি কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী নামানো হয়েছে।
রাজধানী ইসলামাবাদেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। হাজারো মানুষ রেড জোনের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশের বাধায় সংঘর্ষ হয়। এতে দুজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
লাহোর ও পেশোয়ারেও বিক্ষোভ হয়। লাহোরে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটের বাইরে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন, আর পেশোয়ার প্রেস ক্লাবের সামনেও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় পাঞ্জাব সরকার ও ইসলামাবাদ প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। জনসমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।









