দেহে কিডনির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মানবদেহের দূষিত পদার্থগুলিকে বাইরে বের করতে সাহায্য করে কিডনি। দেহে জল এবং খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে কিডনি। তাই কিডনির কোনও সমস্যায় তার সামগ্রিক প্রভাব স্বাস্থ্যের উপরে পড়তে পারে।
কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি
কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে, এ রকম বেশ কয়েকটি খাবার রয়েছে।
১) শসা: দেহে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে শসা। শসা মধ্যে জলীয় অংশের পরিমাণ প্রায় ৯৫ শতাংশ। নিয়মিত শসা খেলে তা রক্ত থেকে দূষিত পদার্থ কিডনিতে পাঠাতে সাহায্য করে। তার ফলে দেহে ক্রিয়েটিনিন এবং ইউরিক অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় থাকে।
২) পাতিলেবু: বাড়িতে প্রতি দিনই পাতিলেবু ব্যবহৃত হয়। লেবুর মধ্যে ভিটামিন সি বেশি থাকে, যা কিডনিতে পাথর তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে। পাশাপাশি খালি পেটে ঈষদুষ্ণ জলে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে পান করলে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু যাঁরা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে পাতিলেবু বুঝে খাওয়া উচিত।
৩) পার্সলে: শুধু রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি পার্সলে পাতার কাজ নয়। পার্সলে কিডনির স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। পার্সলের মধ্যে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা কিডনির স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, পার্সলের মধ্যে এপিজেনিন, লুটেওলিন এবং কোয়ার্সেটিন নামক ফ্ল্যাভনয়েড থাকে, যা কিডনির প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। কিডনিতে কোনও সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতেও উপকারী পার্সলে।