আগামী পাঁচ দিন দেশের আবহাওয়ায় কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বজায় থাকতে পারে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের অধিকাংশ স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এতে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে যোগাযোগব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বিস্তৃতি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে বিরাজ করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।
আজকের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার কারণে বিমান, নৌ ও সড়ক পরিবহন বিঘ্নিত হতে পারে। গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, পঞ্চগড়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ায় বয়ে চলা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আংশিক প্রশমিত হতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও দিনের তাপমাত্রায় খুব বেশি পরিবর্তন হবে না।
শনিবার (৩ জানুয়ারি)ও একই ধরনের শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক জায়গায় ঘন কুয়াশা পড়বে এবং দুপুর পর্যন্ত থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও দিনের তাপমাত্রা স্থির থাকতে পারে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) থেকে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) ও মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) একই ধরনের শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী তীরবর্তী এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা দেখা দিতে পারে। শেষ দিনে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।
বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেতে পারে।









